- অপরাধ
- ঘুষ
- ঠিকানা
- মুকসুদপুর উপজেলা ভূমি অফিস
আমি মিস কেস করতে গিয়েছিলাম, অফিস থেকে একটা রিপোর্ট দেওয়ার জন্য তশিলদার ১০০০ এবং তার সহকারী ১০০০ টাকা ঘুশ খেয়েছে
নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত ও যাচাইকৃত রিপোর্টসমূহ। আপনার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রেখে অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান।
মোট ১১৫টি রিপোর্ট · পৃষ্ঠা ১ / ১২
আমি মিস কেস করতে গিয়েছিলাম, অফিস থেকে একটা রিপোর্ট দেওয়ার জন্য তশিলদার ১০০০ এবং তার সহকারী ১০০০ টাকা ঘুশ খেয়েছে
বিভাগ : বরিশাল, জেলা : ঝালো কাঠি, থানা কাঠালিয়র চেচরি রাম পুর ইউনিয়ন এর তহসিলদার এর কাছে আমাদের জমির খাজানা পরিসোধ করতে পাঠাইছিলাম আমার কাকা কে খাজনা আসছে ৩৬৫ টাকা উনি দাবি করছে ৫ হাজার টাকা দিতে হবে পরবর্তী তে আমি গেলে কোনো ভাবে ই কম রাখবে না আমাদের জমি রেজিস্ট্রেশন ও খাজনা পরিসোধ না করতে পারায় বিলম্ব হচ্ছিলো পরবর্তী তে অনাকে জোড়াজুড়ির পরে ৪ হাজার টাকায় করে দিছে
২/৩ বছর আগে জরীপ হয়েছে বিডিএস তখন জরীপ লোক লাখ লাখ টাকা নিয়ে গেছে এবং খসড়া খতিয়ান দিয়েছে এখন আবার নতুন লোক আসছে যাচাই করে ওই খতিয়ান এ সীল মারবে এখন তারা পুনরায় আবারও ৬০ হাজার থেকে শুরু করে লক্ষ লক্ষ দাবি করছে _ এখানে এলাকার স্থানীয় কিছু চাঁদাবাজ সাথে সঙ্গে নিয়ে সহযোগীতার মধ্যে দিয়ে করছো। এগুলে দেখার কেও নাই ভাইরাল না হলে কিছু পরিবর্তন বিচার আশা করা যায় না। গাজীপুর, ২নং ওয়ার্ড, লস্করচালা ৭৬
জামালপুর সদরে নাউভাঙা চড়ে জমি রেজিস্ট্রেশন বাবদ ঘুষ প্রদান।
আমার একটি মিটার নষ্ট হয়ে যায় পরবর্তীতে আমি অভিযোগ দিলে তারা ঐ মিটার ঠিক করে নিয়ে যায় এবং নতুন মিটার দেওয়ার কথা বলে চার হাজার টাকা দাবি করে যদি না দেই তাহলে তারা বলে আপনি অফিসে গিয়ে আবেদন করুন এবং বাকি কাগজ পাতি গুলো নিয়ে যান দেখবেন একটা লম্বা দীর্ঘ সময় লাগবে। বাসায় বিদ্যুৎ না থাকায় আমি বাধ্য হই টাকা দিতে এবং ২৪ ঘন্টাও সময় লাগে নি নতুন মিটার নিয়ে আসতে..
মিউটেশন আবেদন করার পর ভূমি অফিস থেকে প্রথমিক অনুমদন তসিলদার তিনি বললেন চা খরচ ১০০০ টাকা দিয়ে জান তানা হলে হবে না।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আমার আব্বুর পি আর এল ও লাম্পগ্রান্ট বাজেট বরাদ্দের জন্য বাজেট বরাদ্দ শাখার অফিসার ও কর্মচারী ১ মাস ঘুরায়। উপায় না পেয়ে আব্বুর পেনশন চালুর উদ্দেশ্য ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই
আমাদের বেসরকারি উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্র পরিদর্শন করতে এসে, যাতায়াত খরচ দাবি করে। ১০০০ টাকা নিয়ে যায়।
মোবাইল হারানোর পরে জিডি করা হয়। তখন পুলিশ বলে মোবাইল পাওয়া গেছে এখন নিতে হলে ৫,০০০ টাকা লাগবে।
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করার জন্য থানাতে গিয়েছি তারপরে তাদের দেড় হাজার টাকা দাবি করেছে, টাকা না দিলে কাজ হবেনা তাই বাধ্য হয়ে আমি ১০০০ টাকা প্রদান করেছি