- অপরাধ
- ঘুষ
- ঠিকানা
- লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম
কাজী নিকাহনামা ভেরিফিকেশন করার জন্য 5000 টাকা নিছে এবং রেজিষ্ট্রার ও ঐ টাকার একটা অংশ নিবে বলছে। কিন্তু আইন মন্ত্রণালয়ের ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না
উপরের যেকোনো একটি ঘর পূরণ করে তথ্য খুঁজতে পারবেন
কাজী নিকাহনামা ভেরিফিকেশন করার জন্য 5000 টাকা নিছে এবং রেজিষ্ট্রার ও ঐ টাকার একটা অংশ নিবে বলছে। কিন্তু আইন মন্ত্রণালয়ের ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না
চট্টগ্রামে গার্মেন্টস কারখানার লাইসেন্স নবায়ন করতে ঘুসের হার- সেফটি প্লান থাকলে কমপক্ষে 150000-30000 টাকা প্রদান করতে হয়। আর সেফটি প্লান না থাকলে প্রতি লাইসেন্স এ- 50000 টাকা প্রদান করতে হয়।
চাকুরীতে যোগদান ও বেতন ছাড় উপলক্ষে
ইউনিয়ন পরিষদ থেকে যে ফ্রী প্রত্যায়ন দেই,তা আমি ১০০০৳ দিয়ে নিতে হয়েছে।
হোল্ডিং ট্যাক্স রেজিস্ট্রেশন এর জন্য টাকা দাবি করসিলো ২০০০০ টাকা। যদি টাকা না দি হোল্ডিং ভ্যালুয়েশন বেশি দেখাবে বলে হুমকি দেয়া হইসিলো। অনাকাঙ্কিত জামেলা না করার জন্য ২০০০০ টাকা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে ফেলেসি
আমি আমার জমি খারিজের আবেদন করেছিলাম। যার রেগুলার ফি ছিল ১১০০সামথিং। কিন্তু আমার আবেদন খারিজ হয়। পরবর্তীতে সেইম ডকুমেন্টস দিয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে আবেতন করা হয়। তারা এই খারিজের খরচ চান ৬০০০টাকা। যা মূল খরচ থেকে ৪৮০০/৪৯০০ টাকা বেশি। আমার কাজটা জরুরি ছিল। তাই বাধ্য হয়ে আমাকে ঘুষ দিয়ে কাজটা করাতে হয়েছে।
After completion of any development projects, NGOs have to collection/take project completion certificates from UNO office accross Bangladesh. Every NGO has to pay 5000 taka to unlimited amount for collecting each and every certificates
চাকরির জন্যে পুলিশ ভেরিফিকেশন এ হয়রানির শিকার হচ্ছে সবাই। পুলিশ বা এসবি অফিসে যাদেরকে ভেরিফিকেশন এর দায়িত্ব দেওয়া হয় তারা টাকা ছাড়া কাজই করেনা। যেটা দেখা যায় তারা আপনার কাছে ডিরেক্ট টাকা চাবে না, কিন্তু আপনি যদি টাকা না দেন, তাহলে আপনার ভেরিফিকেশন আটকে থাকবে
কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১- অনুমোদনবিহীনভাবে ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ লাইন স্থানান্তর, অবৈধ অর্থ গ্রহণ, দুর্নীতি, দালালের মাধ্যমে কাজ করানো, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং প্রশাসনিক নির্দেশনা অমান্যের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ভূমিকা যথাযথভাবে তদন্তের অনুরোধ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিলাসর এলাকায় ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ লাইন স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে মাত্র দুই দিনের মধ্যে উক্ত কাজ সম্পন্ন করা এবং এর বিনিময়ে প্রায় ৮ লক্ষ টাকা অবৈধভাবে গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে
চাঁদপুরের পদ্মা এবং মেঘনা নদীতে সাধারণত কারেন্ট জাল দিয়ে ইলিশ আহরণ করা হয়। একজন জেলেকে প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে নৌ থানায় ঘুষ দিতে হয় কেউ যদি ঘুষ না দেয় তাকে পাকড়াও করে তার নৌকা জাল এবং তাকে মামলা দিয়ে হাজতে প্রেরণ করে আমি একটা হিসাব করে দেখলাম চাঁদপুরের প্রায় ৫০ হাজার জেলে আছে প্রত্যেকে তিন হাজার টাকা করে প্রতি মাসে দিলে বছরে প্রায় 18000000 টাকা ঘুষ দেওয়া হয় আমার মত এমন অসংখ্য এজেন্ট আছে যারা জেলেদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে প্রতি মাসে ২ লক্ষ ৫ লক্ষ টাকা করে মাসের নির্দিষ্ট তারিখে নৌ থানায় এসে জমা দিয়ে যায়। আমার একটাই চাহিদা হয়তো কারেন জাল বন্ধ হোক নয়তো ঘুষ বন্ধ হোক একজন জেলেকে প্রতি মাসে প্রায় ২০ হাজার টাকা প্লাস থানায় ঘুষ দিতে হয় এক থানায় দিলে হয় না সব ফাঁড়িতে
ভূমি অফিস আর এসি লেন্ড অফিস মিলে ৩০০০০/-হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
শাব্বির আহমদ ( মৃত) ৫ নং ওয়ার্ড, পশ্চিম পাড়া , শাব্বির আহমেদের ছেলে হেলাল থেকে 16 শতক আমরা বৈধভাবে একটা জমি ক্রয় করি ৮ জন মিলে। পরবর্তীতে স্থানীয় ( সেন্টমার্টিন)কিছু বিএনপির লোকজন আমাদের কাছ থেকে জোর পূর্বক ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে কিন্তু তাতে অসিকৃতি জানালে তারা আমাদের কে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করতে থাকে এবং এক পর্যায়ে এই জমি টা তাদের বলে দাবি করতে থাকে। পরবর্তীতে স্থানীয় সালিসে বসা হলে পুলিশ আমাদের সব ডোকুমেন্ট দেখে বিচার করে এবং আমাদের পক্ষে রায় আসে কিন্তু চাঁদাবাজরা এই রায় না মেনে কক্সবাজার এসিলেন্ডকে তাদের পক্ষে নেই বিশাল অঙ্কের টাকার লোভ দেখিয়ে এবং আমাদের জমি নামজারি হতে বাধা দেয় অথচ আমাদের জমির সব দলীল এবং কাগজ পত্র ঠিক থাকার পরও। চাঁদাবাজরা হলো : ১.নুরুল আলম ( মগগুল মেম্বার,পূর্ব পাড়া, ২. সৈয়দ আলম ( মগগুল মেম্বার) পূর্ব পাড়া, ৩ . মুহাম্মদ আলম ( মগগুল মেম্বার) পূর্ব পাড়া, ৪. জিয়াউল হক ( আব্দুল হক) , পূর্ব পাড়া, ৫.হায়দার আলী ( আব্দুর রহমান মেম্বার) ডেল পাড়া, ৬.আব্দূর রহমান ( লালু মিয়া) পূর্ব পাড়া
জায়গার বণ্টন নামা করতে গিয়ে খতিয়ানের প্রয়োজন হয়। দশ জনের নামে কেনা জায়গায় দশটা খতিয়ানের/ নামজারী প্রয়োজন হয়। এটা করতে মূল টাকার প্রয়োজন একটা খতিয়ান ১১০০ টাকা। কিন্তু দাবী করেছে একটা ১৮ হাজার করে দশটা ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
গারির ফিটনেস করাতে গিয়ে ২০০০টাকা ঘুস দিয়েছি
আমাদের কলেজটি জাতীয়করনের প্রাথমিক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বর্তমানে কলেজে প্রচার করা হচ্ছে যে, লবিং না করলে তালিকায় থাকা সত্ত্বেও জাতীয়করণ করা হবে না। জাতীয়করণ/সরকারিকরণ-সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় মাউশিতে কাজ এগিয়ে নিতে প্রত্যেক শিক্ষকের কাছ থেকে আনুমানিক ৫০,০০০ টাকা করে দিতে হবে