- অপরাধ
- ঘুষ
- ঠিকানা
- মুকসুদপুর উপজেলা ভূমি অফিস
আমি মিস কেস করতে গিয়েছিলাম, অফিস থেকে একটা রিপোর্ট দেওয়ার জন্য তশিলদার ১০০০ এবং তার সহকারী ১০০০ টাকা ঘুশ খেয়েছে
উপরের যেকোনো একটি ঘর পূরণ করে তথ্য খুঁজতে পারবেন
আমি মিস কেস করতে গিয়েছিলাম, অফিস থেকে একটা রিপোর্ট দেওয়ার জন্য তশিলদার ১০০০ এবং তার সহকারী ১০০০ টাকা ঘুশ খেয়েছে
২/৩ বছর আগে জরীপ হয়েছে বিডিএস তখন জরীপ লোক লাখ লাখ টাকা নিয়ে গেছে এবং খসড়া খতিয়ান দিয়েছে এখন আবার নতুন লোক আসছে যাচাই করে ওই খতিয়ান এ সীল মারবে এখন তারা পুনরায় আবারও ৬০ হাজার থেকে শুরু করে লক্ষ লক্ষ দাবি করছে _ এখানে এলাকার স্থানীয় কিছু চাঁদাবাজ সাথে সঙ্গে নিয়ে সহযোগীতার মধ্যে দিয়ে করছো। এগুলে দেখার কেও নাই ভাইরাল না হলে কিছু পরিবর্তন বিচার আশা করা যায় না। গাজীপুর, ২নং ওয়ার্ড, লস্করচালা ৭৬
জামালপুর সদরে নাউভাঙা চড়ে জমি রেজিস্ট্রেশন বাবদ ঘুষ প্রদান।
আমার একটি মিটার নষ্ট হয়ে যায় পরবর্তীতে আমি অভিযোগ দিলে তারা ঐ মিটার ঠিক করে নিয়ে যায় এবং নতুন মিটার দেওয়ার কথা বলে চার হাজার টাকা দাবি করে যদি না দেই তাহলে তারা বলে আপনি অফিসে গিয়ে আবেদন করুন এবং বাকি কাগজ পাতি গুলো নিয়ে যান দেখবেন একটা লম্বা দীর্ঘ সময় লাগবে। বাসায় বিদ্যুৎ না থাকায় আমি বাধ্য হই টাকা দিতে এবং ২৪ ঘন্টাও সময় লাগে নি নতুন মিটার নিয়ে আসতে..
মিউটেশন আবেদন করার পর ভূমি অফিস থেকে প্রথমিক অনুমদন তসিলদার তিনি বললেন চা খরচ ১০০০ টাকা দিয়ে জান তানা হলে হবে না।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আমার আব্বুর পি আর এল ও লাম্পগ্রান্ট বাজেট বরাদ্দের জন্য বাজেট বরাদ্দ শাখার অফিসার ও কর্মচারী ১ মাস ঘুরায়। উপায় না পেয়ে আব্বুর পেনশন চালুর উদ্দেশ্য ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই
আমাদের বেসরকারি উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্র পরিদর্শন করতে এসে, যাতায়াত খরচ দাবি করে। ১০০০ টাকা নিয়ে যায়।
মোবাইল হারানোর পরে জিডি করা হয়। তখন পুলিশ বলে মোবাইল পাওয়া গেছে এখন নিতে হলে ৫,০০০ টাকা লাগবে।
জমি কেনা হইছিল কিছু বছর আগে নতুন রেকর্ড হয় কয়েক মাস আগে এখন সেই রেকর্ড এ জমি এর পরিমাণ কম দেখিয়ে টাকা দাবি করছে ১০০০০০ টাকা না দিলে ঠিক করবে না
হাইকোর্ট এ মাননীয় জজ এর ব্রেঞ্চসহকারী অফিসার মামলার রায়ের কপি টাকা না দিলে কোন ভাবেই দিবেন বলে দিয়েছেন
বাবার চোখের সামনে সন্তানের এমন করুণ দৃশ্য! এই দৃশ্য দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারবেন না—পাশে দাঁড়ান এই বাবার। এর দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেয়া হোক। এভাবে চলতে দেয়া যাবে না এদেশের ডাক্তাররা সব কসাই টাকার জন্য সব করতে পারে।
প্রতিদিন আমরা সকালে পণ্য নামাই উক্ত স্থানে কিছু স্থানীয় দলীয় নেতা এসে টাকা দাবি করে তা না হলে পণ্য নামাতে দিবে না, পরবর্তীতে তারা বিশ হাজার টাকা দাবি করে, এবং জোরপূর্বক 3000 টাকা নিয়ে চলে যায়
54 ওয়ার্ড তুরাগ ঢাকা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসেম চেয়ারম্যান সুপার মার্কেট সকল ব্যবসায়ী থেকে জোরপূর্বক ৫০ লক্ষ টাকা তুলে নেয়া হয় ১৮ আসনের মাননীয় এমপির নাম বলে এস এম জাহাঙ্গীর সাহেবের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এই চান্দাবাজীর সাথে জড়িত মামুন পারভেজ তনময় বিএনপির সাবেক নেতা
আব্দুল্লাহপুর মাছ বাজারে প্রতিনিয়ত চাঁদার ফটো যার ফলে মাছের দাম দিন দিন বেড়েই চলছে এবং অনেকগুলো মাছের দোকান বন্ধ হয়ে গিয়েছে এগুলো ব্যবসায়ীর সম্পর্কে পড়ে আজ ব্যবসায়ীরা অনেকের নিঃস্ব অবস্থা বিদ্যমান.
For a semi-government job I have been asked to give 30 lacks