- অপরাধ
- ঘুষ
- ঠিকানা
- রাজেন্দ্রপুর, ঢাকা
পেনশনে যাওয়ার জন্য চাকুরী শেষে এফপিও, অর্ডন্যান্স সেন্টার, রাজেন্দ্রপুর, গাজীপুর পেনশনের হিসাব করার জন্য টাকা দিতে হয় সবার কাছ থেকে এই টাকা নেয়
উপরের যেকোনো একটি ঘর পূরণ করে তথ্য খুঁজতে পারবেন
পেনশনে যাওয়ার জন্য চাকুরী শেষে এফপিও, অর্ডন্যান্স সেন্টার, রাজেন্দ্রপুর, গাজীপুর পেনশনের হিসাব করার জন্য টাকা দিতে হয় সবার কাছ থেকে এই টাকা নেয়
আমার নতুন পাসপোর্ট এ পুলিশ verification এর সময়ে এক পুলিশ টাকা নিয়েছিলো এড্রেস verification ar জন্য. আমি 500 টাকা দিয়েছিলাম, পরে সে বলে 2 টা মিলিয়ে দেন. তারপর 1000 টাকা দিতে হইসিলো
Passport er jonoo apply korbo ami students apply er somoy students na diya private sector dece then amer aro extra 2050 tk extra dete hoyce tarpore ow spelling vul 😔
ভিপি সম্পত্তি খারিজ করতে ঘাটাইল,টাংগাইল এসিল্যান্ড অফিসকে ১,০০,০০০/- টাকা ঘুষ দিতে হয়।
জ্বী আনুষ্ঠানিক ভাবে চুক্তির মাধ্যমে আমার থেকে টাকা নেয়া হয় এবং চুক্তির দেড় লক্ষ টাকা কাজ সম্পূর্ণ হবার আগেই পরিশোধ করতে হয়
বাস,ট্রাক,পিক আপ বা অন্যান গাড়ি যদি মালিক নিজে ড্রাইব না করে,গাড়ি অন্যেরা চালাতে যদি অসুবিধা না হয় বা কোন রকম প্রশাসনিক ঝামেলা না হয় তাহলে মটর সাইকেল এর ক্ষেএে, মটরসাইকেল যদি আমি আমার কাগজ ঠিক রেখে আমার বন্ধুর গাড়ি চালাই তাহলে কেন আইনি মামলা পোহাতে হবে? যদি প্রশ্ন আসে হয়তো মোটর সাইকেল টা চুরি করে আনা হয়েছে,তাহলে আগে যাচাই করুন কেস না দিয়ে থানায় মটর সাইকেল বন্ধি করুন। টাকা খেয়ে বা একটা কেস দিয়ে কেন সেই মটর সাইকেল ছেড়ে দেন? (আমার ভাই বা আমার রিলেটিভ এর গাড়ি আমি কি চালাতে পারি না?) এই আইনটা আমার কাছে মনে হয় একদম অযুক্তিক। (ফ্যাক্ট : আমাকে বলা হয়ছে ২০০০ টাকা ঘুস দিলে মামলা দিবে না। কিন্তু আমি বলছি তাহলে মামলাই দেন।কাগজ পএ সব কিছু ঠিক থাকার পরও মামলা খেলাম ৫০০০ টাকার) (হইরে বাংলাদেশ 🥲🥲
মাদক বরাদ্দের অনুমতি হয়েছে কিন্তু অফিস সহকারী বলে অফিসের কিছু খরচপাতী আছে । আমি বললাম কি করতে হবে অফিস সহকারী বলে গতবছর কত দিয়েছিলেন? এবার 60000 টাকা লাগবে? আমি বললাম অফিসে গিয়ে স্যারদের সাথে আলোচনা করে জানাবো
Asked 500 bdt for police clearance. I paid
ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির অভিজ্ঞতা কয়েক মাস আগে আমি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি এবং **Mirpur BRTA Bus Depot-3**-এ নির্ধারিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি। আমার নিজের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, আমি Biometric ও Driving Test সফলভাবে সম্পন্ন করি এবং পরীক্ষায় পাস করেছি বলে নিশ্চিত ছিলাম। কিন্তু দিনের শেষে আমাকে জানানো হয় যে আমি পরীক্ষায় **Failed** হয়েছি। তবে কেন আমাকে ব্যর্থ করা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট কারণ জানানো হয়নি। পরবর্তীতে আমি পুনরায় আবেদন করলে দেখতে পাই, আমার **Biometric এবং Driving Test Result—দুটিই “Failed”** দেখাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আমি অত্যন্ত অসহায় হয়ে পড়ি। এরপর একজন ব্রোকার/দালালের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, অতিরিক্ত টাকা না দিলে আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া কঠিন হবে। কোনো উপায় না
আমার কারখানার লাইসেন্স নবায়নের জন্য সরকারি ফি ও ভ্যাট ব্যাতিত আরো ১০০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। আমার নবায়ন বায়ারের চাহিদা মোতাবেক খুবই জরুরি ছিল। আর এই সুযোগে পরিদর্শক আমার থেকে ১ লক্ষ টাকা বেশি নিয়েছে
পাসপোর্ট করতে যাওয়ার পরে পাসপোর্ট অফিস থেকে বারবার বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছিলো। রাজমিস্ত্রীর কাজ ফেলে ২ দিন পাসপোর্ট অফিসে ঘুরেও ঘুষবিহীন কাজ করতে পারেন নি। তিনি আলেম তাই ঘুষও দিতে চাননি। তিনি মসজিদের পাশাপাশি হালাল উপার্জন ও বেশি উপার্জনের জন্য রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন। অনেক অনুরোধ ও এই কাগজ সেই কাগজের প্রয়োজন দেখাইয়া ফেরত দিচ্ছিলো। পরবর্তীতে কোনো উপায়ান্তর না পেয়ে ১২০০ টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করাতে বাধ্য হয়। এক লোক বলেছিলো এখানে ৮৬টা অপশন আছে, এই ৮৬ টা অপশনের জন্যেই চাইলে আপনাকে ধরতে পারে। সো টাকা ছাড়া কোন উপায় নাই
আমার নামে ০.৫২ অযতাংশ, একটি জমির শেয়ার ছিল, ঢাকা মানিকদি এলাকায়, দলিল করার পরে নাম জারির সময় বলা হয়েছে জমিতে মামলা আছে, নাম জারি করতে হলে ৪০ হাজার টাকা লাগবে যেখানে১১৭০ টাকা সরকারি ফি লাগে। যেহেতু শেয়ার টি আমি বিক্রি করে দেব তাই বাধ্য হয়ে ৪০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে।এবং নামজারির কপি আমার হাতে পেয়েছি। প্রশ্ন হলো জমির দলিলের সময় কেন বলা হয়নি?? ওই সময় বললে আমরা শেয়ার কিনতাম না।। এটাতো ভূমি অফিসের দায়িত্ব ছিল।। আরেকটি ঘুষের অভিযোগ - আমার বাবা বেসরকারি মাদ্রাসায় চাকরি করতেন, অবসর গ্রহণের পর ঢাকা নীলক্ষেত বেনবেজ অফিস এ অবসরকালে টাকা উত্তোলনের চেক গ্রহণের সময় দুইবারে নয় হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে। তাও আবার ৫ থেকে ৬ মাস অপেক্ষা করার পর চেক পেয়েছি। সেটা ২০১০ থেকে ১০১২
সেপ্টেম্বর মাসে ব্যাংকের একটি বন্ধকী দলিল সম্পাদনের জন্য রুপগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যাই । তিনি বিভিন্ন অজুয়াতে করতে চাচ্ছেন না। তার সহকারীর প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে পাঠান। সহকারী উক্ত টাকা ছাড়া দলিলটি সম্পাদন করতে পারবেন না বলে জানান শেষ পর্যন্ত টাকা দিলে দলিলটি।
জমি খারিজের আবেদন করতে গেলে সরকারি ফির (১১০০/) অতিরিক্ত এল আর ফান্ডের ১৬০০/ টাকা ও অফিস খরচ বাবদ ২৩০০/ টাকা নেয়। কিন্তু কাজটা করে দেয় নি। বলেছে এসি ল্যান্ড অনুমোদন করেননি
ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে রেজাল্ট board challenge করার রেজাল্ট চেঞ্জ না হয়ে উল্টা আরো কমে যায়়। রেজাল্ট মাইগ্রেশনের জন্য ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে গেছিলাম। তারা এক মাস পর মাইগ্রেশন করে রেজাল্ট আগে অবস্থায় ফিরে আসে, মাইগ্রেশনের পর তারা ইনডাইরেক্ট ১০ হাজার টাকা দাবি করছিল । ম্যানেজ করে তাদেরকে ২০০০ টাকা দিয়েছিলাম। তবুও তারা এখনো ইনডাইরেক্টলি অন্যভাবে টাকা চাওয়ার চেষ্টা করছে। জানিনা এরা কিভাবে মানুষকে হ্যারাসমেন্ট করে ?