- অপরাধ
- ঘুষ
- ঠিকানা
- ঢাকা ঢাকা
আমি বদলীর জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে ঢাকার একজন বাণিজ্যিক কর্মকর্তার নিকট আবেদন করলে, তিনি আমার কাছে ৫০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন
উপরের যেকোনো একটি ঘর পূরণ করে তথ্য খুঁজতে পারবেন
আমি বদলীর জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে ঢাকার একজন বাণিজ্যিক কর্মকর্তার নিকট আবেদন করলে, তিনি আমার কাছে ৫০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন
জমি খারিজ করতে গেলে তারা আমার জমি খারিজ দেখে 70000 টাকা চায়, জমি ছিল 64 শতক.... আমি জিগ্গেস করলাম এত টাকা কেনো বাহিরে তো বোর্ড লাগাইয়াছেন 1250 টাকা লাগবে তাহলে এত টাকা কেনো... তারা বললো ওইটা সরকারি ফি.... তাদের ফি আলাদা.. সেটা দেখলে কখনো জমি নামজারি করতে পারবো না.. পরে অনেকক্ষণ পর্যন্ত বসে রইলাম মা নাই বাবা নাই যদি জমি খারিজ না করি তাহলে আমার চাচার জমি নিয়ে যাবে 😢 আর সেই সময়ে দেখালাম এখানে শুধু দালালের আনা গুনা মূলত তারা দালাল ছাড়া কোনো জমি খারিজ নেয় না আর কোনো তথ্য জানতে চাইলেও কাজের অজুহাতে বের করে দেয়... অসহায় হয়ে কোনো মতে 5000 টাকা কমিয়ে বলতেছে এটাই শেষ আর কমবে না.... তার পরে জমি নামজারি করতে দিলাম 3 মাস লেগে গেলো নামজারি হচ্ছে না তখন অফিস... বিবরণী অংশ টা আরও বড় করুন প্লিজ
কারখানা লাইসেন্স রিনিউ করার জন্য প্রতি কারখানার সরকারী ফি বাদে ১০,০০০ টাকা দাবী করা হয়
বিনীত নিবেদন এই যে, আমার পিতা [পিতার নাম] একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর গেজেট, মুক্তিবার্তা ও লাল বইসহ সকল বৈধ সনদ ও প্রমাণাদি যথাযথভাবে থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে তিনি কোনো সরকারি মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পাচ্ছেন না। ভাতাটি দ্রুত চালুর আশ্বাসে এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আমি ইতোমধ্যে সর্বমোট ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা প্রদান করেছি। কিন্তু এত টাকা দেওয়ার পরেও অদ্যাবধি আমার পিতার মুক্তিযোদ্ধা ভাতা চালু করা হয়নি। বিষয়টি আমাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক ও চরম হতাশার।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ভেরিফিকেশনের জন্য আমার কাছে থেকে 10 হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে