বিভাগ : বরিশাল, জেলা : ঝালো কাঠি, থানা কাঠালিয়র চেচরি রাম পুর ইউনিয়ন এর তহসিলদার এর কাছে আমাদের জমির খাজানা পরিসোধ করতে পাঠাইছিলাম আমার কাকা কে খাজনা আসছে ৩৬৫ টাকা উনি দাবি করছে ৫ হাজার টাকা দিতে হবে পরবর্তী তে আমি গেলে কোনো ভাবে ই কম রাখবে না আমাদের জমি রেজিস্ট্রেশন ও খাজনা পরিসোধ না করতে পারায় বিলম্ব হচ্ছিলো পরবর্তী তে অনাকে জোড়াজুড়ির পরে ৪ হাজার টাকায় করে দিছে
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করার জন্য থানাতে গিয়েছি তারপরে তাদের দেড় হাজার টাকা দাবি করেছে, টাকা না দিলে কাজ হবেনা তাই বাধ্য হয়ে আমি ১০০০ টাকা প্রদান করেছি
NTRCA এর মাধ্যমে একটি মাদ্রাসায় টিকি। তো এমপিও ফাইল রেডি করে সাবমিট করি, সেটা উপজেলা শিক্ষা অফিসে যায়, তারপর সেটি দ্রুত সাবমিটের জন্য কাউকে ৫০০,১,০০০, এবং ২,০০০ টাকা প্রদান করা হয়েছে। আরো মজার বিষয় যে প্রতিষ্ঠানে হয়েছে সেখানের ভারপ্রাপ্ত কে ৪,০০০ (খুশি হয়ে নাকি) টাকা প্রদান এবং প্রতিষ্ঠানে উন্নয়েনর জন্য ১৫,০০০ টাকা প্রদান করি। আরো বিভিন্ন উপায়ে টাকা হাসিল করতে চাচ্ছে তারা। এবং এ সব ফাইলের কাজ করা,বিভিন্ন কাজে আমাদের সাথে থাকার জন্য আরো একজন কে ৫,০০০(নাস্তা-পানির)প্রদান করি । লক্ষ্যনীয় বিষয় চাকুরীর ১ বছর ও হয় নি এখনো। ধন্যবাদ, আশা করি সব কিছু গোপন থাকবে
গ্রাম খেজুরা, ঝালকাঠি সদর থেকে ভিমরুলি যাওয়ার পথে এই গ্রাম
বিস্তারিত বিবরণ
লোকটার নাম চপল, সে নাকি ঝালকাঠির কৃত্তিপাশা ইউনিয়নের বিএনপির নেতা এবং কি পোস্টে আছে সেটা সঠিক জানি না। আওয়ামিলীগ সরকার পতনেন মাস ছয়েক আগে আমাদের সপ্নের বাড়ি নির্মানের কাজ শুরু করি আমরা। এই লোক হতাৎ একদিন রাতে তার এক চামচা নাম কামরুল তার সহায়তায় আমার মা কে বাসা থেকে বের করে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করে, বলে যে বাড়ি করতে চাইলে তাকে এই টাকা দিতে হবে নতুবা আমার মা বাবা কে হত্যার হুমকি দেয়।