আমি আমার ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সরকারি ফি এর সাথে ঘুষ দাবি করেন। এছাড়া ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন হবে না বলে জানিয়ে দেন। শুধু তাই না, আমার অন্য একটি নতুন ব্যবসায়ের জন্যও তিনি লাইসেন্স দিবেন না বলে জানিয়ে দেন। একজন উদ্যোক্তা হিসেবে এই ঘটনা আমাকে হতাশ করেছে।”
আমি আমার জাতীয় পরিচয়পত্রে স্বামীর নাম সংশোধনের জন্য উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করি। আবেদন করার পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আমাকে জানান যে, সংশোধনের জন্য কিছুটা সময় প্রয়োজন হবে। কিন্তু এর প্রায় ৫ মিনিট পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আমাকে জানান যে, যদি জরুরি ভিত্তিতে সংশোধন করাতে চাই, তাহলে ২০,০০০ (বিশ হাজার) টাকা প্রদান করলে মাত্র ২ দিনের মধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্রের সংশোধন সম্পন্ন করে দেওয়া সম্ভব হবে। আমি কোনো ধরনের অতিরিক্ত বা অনৈতিক অর্থ প্রদান করতে রাজি না হওয়ায় আমার আবেদনটি বর্তমানে Pending অবস্থায় রাখা হয়েছে বলে আমি দেখতে পাচ্ছি/জানতে পেরেছি। আমি নিয়ম অনুযায়ী সরকারি নির্ধারিত ফি প্রদান করে আবেদন করেছি। তাই আমার আবেদনটি কোনো অতিরিক্ত অর্থ দাবি ছাড়া প্রচলিত সরকারি নিয়ম ও নির্ধারিত
পাসপোর্ট অফিসে নিজে সমস্ত ডকুমেন্ট নিয়ে জমা দিতে চাইলে ডুমেন্ট অসম্পূর্ণ এইটা নাই ঐটা নাই এমন কথা বলে আমার ফর্ম জমা নেয়নি,,, পরে একই কাগজ দালালকে দিলে তারপর জমা নিছে । দ্বিতীয় হলো পুলিশ লাইনে দাড়ানো অবস্থায় পিছনের লোকদের কে ২০০ টাকার বিনিময়ে লাইন থেকে সরাসরি সাইন এবং স্বাক্ষর করার জন্য রুমে নিয়ে যায়,,,, পাসপোর্ট অফিস দুর্নীতির এক আতুর ঘর
দুইজন দরবেশ মোটরসাইকেল দিয়ে আসলো এসে বলল আপনার বাবা কোথায় বললাম কি হইছে উনার বিরুদ্ধে অরেঞ্জ আছে উনারা হাইকোর্ট থেকে আসছে ওদের অনুমতি নিয়া নোটিশ নিয়ে আইছে কিন্তু নোটিশ দেয় থানায় দিয়ে দিবে এরকম লাস্টে বলতেছে কিছু খরচপাতি দেন সরস্বতী দেই নাই পরবর্তীতে বলতে থানায় দিয়ে দিব ধরে নিয়ে যাবে বললাম দিয়া দেন সমস্যা নাই এবং প্রথম অবস্থায় বাড়ি কয়টা করছি এইসব হয়রানি এবং চাঁদাবাজি থেকে মানুষ কবে মুক্তি পাবে আফসোস সোনার বাংলাদেশের জন্য
কলেজ থেকে নম্বরপত্র উত্তোলনের সময় আমার কাছে সরাসরি ৩০০ টাকা ক্যাশ চায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। টাকা গ্রহণ বাবদ রশিদ চাইলে তিনি তা অপারগতা প্রকাশ করে। কিন্তু পরিশেষে টাকা ঘুষ/সন্মানি হিসেবে প্রদান করতেই হলো যেন তিনি আমার কাছে পাওনাদার।