- অপরাধ
- ঘুষ
- ঠিকানা
- যশোর শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তর · যশোর সদর
কাজের এগ্রিমেন্ট হয়েছে কিন্তু অর্ক অর্ডার হয় নাই বলছে টাকা না দেয়া পর্যন্ত বাকি প্রসেসিং হবে না প্রশান্তি ওষুধ রাকিব সার
নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত ও যাচাইকৃত রিপোর্টসমূহ। আপনার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রেখে অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান।
মোট ১১৫টি রিপোর্ট · পৃষ্ঠা ৪ / ১২
কাজের এগ্রিমেন্ট হয়েছে কিন্তু অর্ক অর্ডার হয় নাই বলছে টাকা না দেয়া পর্যন্ত বাকি প্রসেসিং হবে না প্রশান্তি ওষুধ রাকিব সার
পশ্চিমা গ্রামের চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ OC, UNO, DC, SP—কেউ কি নেই, যিনি এই চাঁদাবাজকে নিয়ন্ত্রণ করে সাধারণ মানুষকে হয়রানি থেকে রক্ষা করতে পারেন? এই ব্যক্তি গ্রামের বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে ৫ হাজার, ১০ হাজার, ২০ হাজার, ৩০ হাজার, এমনকি ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা দাবি ও আদায় করে থাকে। অনেকের কাছ থেকে একাধিকবার টাকা নেওয়ার ফলে কারও কাছ থেকে মোট ৭–৮ লাখ টাকা পর্যন্ত চাঁদা নেওয়া। মানুষকে ভয়ভীতি দেখানো, মারধর করা এবং বিভিন্নভাবে হয়রানি করা যেন তার নিয়মিত কর্মকাণ্ডে পরিণত হয়েছে। নিজেকে বড় নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রভাবিত ও চাপের মধ্যে রাখা। আর কত মানুষ এভাবে হয়রানির শিকার হবে? প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অনুরোধ—বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করুন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন এবং চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিন। মাত্র ৪–৫ জন চাঁদাবাজের কারণে একটি পুরো গ্রাম ও ইউনিয়নের মানুষ সমস্যায় পড়ে আছে
ঘটনাটি এমন যে প্রতি রবিবা এবং সমবার কয়েক বছর ধরে তানোর,রাজশাহী রেজেস্ট্রেরি অফিসে জমি রেজেস্ট্রেরির সময় মনতাজুল ওরফে মুনতাজ মহুরি এবং তার গং জমি বিক্রেতা এবং গ্রহিতার কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে, বিভিন্ন বিষয় দেখিয়ে,সরকারি নিধারিত চাজ ব্যাতিয় ৩০০০০/৪০০০০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়, গ্রাহকের সাথে প্রতারনা করে প্রকাশ্যে টাকা লুট করে চলেছে, আজ তারা আঙুল ফুলে কলা গাছ, এ সকল চাঁদাবাজ, ডাকাত মহুরিদের প্রকাশ্যে লেংটো করে গরম ডিম থ্যারাপি দিয়ে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দেওয়ার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি
আলি বাহার চা বাগান, এরিয়া দুসকি, এই বাগানের জায়গায় আমরা থাকি বাগানের মালিককে প্রত্যেক পরিবার প্রতি মাসে 500 টাকা দেই। এমতাবস্থায় তারা আমাদের কাছে চাঁদাদাবি করে চাঁদা না দিলে বিভিন্ন রকম হুমকি দেয় এমনকি হত্যার ও হুমকি দেয়। সময় বলতে বিভিন্ন সময় তারা নির্যাতন করে রাস্তাঘাটে হাটা চলা ও নিরাপদ নয়, ঘরের টিন ও বিভিন্ন জিনিস পুনরায় মেরামত করতে গেলে ও তারা চাদা চায় কিন্তু আমরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদকে টেক্স দেই এদের নাম: 1. কয়েছ আহমদ (2) রতন চক্রবর্তী (3) লিটন (4) মুন্না বাগানের সর্দারের ছেলে আর অন্যান্য সবাই মিলে মব সৃষ্টি করে এবং চাঁদা দাবি করে । আমরা সংখ্যা লঘু ও অসহায় মানুষ।( উল্লেখ্য বাগানের মালিকে নাম রাজন সাহেব) অতএব, আমরা কর্ত,পক্ষের নিকট আকূল আবেদন, আমাদের উপরোক্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার যেন সদয় মর্জি হয়
BRTC ট্রাক ব্যক্তিগত এবং বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে.. যা সরকারি কাজের সাথে কোন অন্তর্ভুক্ত নয়! সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে ভুট্টা নেওয়া আনা করছে
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন রেকর্ড এফপিও তে পেনশন উত্তোলনের মুহূর্তে আমার থেকে ঘুষ নেওয়া হয়েছিল
চট্টগ্রামে গার্মেন্টস কারখানার লাইসেন্স নবায়ন করতে ঘুসের হার- সেফটি প্লান থাকলে কমপক্ষে 150000-30000 টাকা প্রদান করতে হয়। আর সেফটি প্লান না থাকলে প্রতি লাইসেন্স এ- 50000 টাকা প্রদান করতে হয়।
জ্বী আনুষ্ঠানিক ভাবে চুক্তির মাধ্যমে আমার থেকে টাকা নেয়া হয় এবং চুক্তির দেড় লক্ষ টাকা কাজ সম্পূর্ণ হবার আগেই পরিশোধ করতে হয়
চাকুরীতে যোগদান ও বেতন ছাড় উপলক্ষে
ইউনিয়ন পরিষদ থেকে যে ফ্রী প্রত্যায়ন দেই,তা আমি ১০০০৳ দিয়ে নিতে হয়েছে।