আমি আমার জমি খারিজের আবেদন করেছিলাম। যার রেগুলার ফি ছিল ১১০০সামথিং। কিন্তু আমার আবেদন খারিজ হয়। পরবর্তীতে সেইম ডকুমেন্টস দিয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে আবেতন করা হয়। তারা এই খারিজের খরচ চান ৬০০০টাকা। যা মূল খরচ থেকে ৪৮০০/৪৯০০ টাকা বেশি। আমার কাজটা জরুরি ছিল। তাই বাধ্য হয়ে আমাকে ঘুষ দিয়ে কাজটা করাতে হয়েছে।
After completion of any development projects, NGOs have to collection/take project completion certificates from UNO office accross Bangladesh. Every NGO has to pay 5000 taka to unlimited amount for collecting each and every certificates
So In the Time of BAL Government ; they passed a pay scale for non- governmental Institute teachers. My father is one of non- governmental under MPO teacher. He finally got this chance to get this. It was offered by givt. back then in papers but not in practical life due to different governmental funtioning complexities . Now he got his chance to get that govt. service under Which he will get easily promotion and extension of job year under government policy after getting that with a good amount in 6 digits but to get this he have to pay 50% of that money which is offered to teachers by government. He gave 50-70 thousand around hand cash and a check guarantee of like in lacks .
চাকরির জন্যে পুলিশ ভেরিফিকেশন এ হয়রানির শিকার হচ্ছে সবাই। পুলিশ বা এসবি অফিসে যাদেরকে ভেরিফিকেশন এর দায়িত্ব দেওয়া হয় তারা টাকা ছাড়া কাজই করেনা। যেটা দেখা যায় তারা আপনার কাছে ডিরেক্ট টাকা চাবে না, কিন্তু আপনি যদি টাকা না দেন, তাহলে আপনার ভেরিফিকেশন আটকে থাকবে
রাস্তার পাশে মাটি আটকানোর জন্য বর্তমানে অপরিকল্পিতভাবে শুধু ইট দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। মাটির নিচে প্রয়োজনীয় গভীর ভিত্তি/ফাউন্ডেশন ও শক্তিশালী রডের কাঠামো না করে উপরিভাগে ইট বসানো হচ্ছে। এভাবে কাজ করলে মাটি সরে গিয়ে রাস্তার অংশ ধসে পড়া বা ফাটল সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সঠিক নিয়ম অনুযায়ী আগে মাটির নিচে শক্ত ভিত্তি তৈরি করে প্রয়োজনীয় রড ও কংক্রিটের কাঠামো নির্মাণ করার কথা। বিষয়টি তদন্ত করে কাজের অনিয়ম ও সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে কি না যাচাই করার অনুরোধ করছি
কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১- অনুমোদনবিহীনভাবে ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ লাইন স্থানান্তর, অবৈধ অর্থ গ্রহণ, দুর্নীতি, দালালের মাধ্যমে কাজ করানো, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং প্রশাসনিক নির্দেশনা অমান্যের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ভূমিকা যথাযথভাবে তদন্তের অনুরোধ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিলাসর এলাকায় ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ লাইন স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে মাত্র দুই দিনের মধ্যে উক্ত কাজ সম্পন্ন করা এবং এর বিনিময়ে প্রায় ৮ লক্ষ টাকা অবৈধভাবে গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে
আমার কারখানার লাইসেন্স নবায়নের জন্য সরকারি ফি ও ভ্যাট ব্যাতিত আরো ১০০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। আমার নবায়ন বায়ারের চাহিদা মোতাবেক খুবই জরুরি ছিল। আর এই সুযোগে পরিদর্শক আমার থেকে ১ লক্ষ টাকা বেশি নিয়েছে
পাসপোর্ট করতে যাওয়ার পরে পাসপোর্ট অফিস থেকে বারবার বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছিলো। রাজমিস্ত্রীর কাজ ফেলে ২ দিন পাসপোর্ট অফিসে ঘুরেও ঘুষবিহীন কাজ করতে পারেন নি। তিনি আলেম তাই ঘুষও দিতে চাননি। তিনি মসজিদের পাশাপাশি হালাল উপার্জন ও বেশি উপার্জনের জন্য রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন। অনেক অনুরোধ ও এই কাগজ সেই কাগজের প্রয়োজন দেখাইয়া ফেরত দিচ্ছিলো। পরবর্তীতে কোনো উপায়ান্তর না পেয়ে ১২০০ টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করাতে বাধ্য হয়। এক লোক বলেছিলো এখানে ৮৬টা অপশন আছে, এই ৮৬ টা অপশনের জন্যেই চাইলে আপনাকে ধরতে পারে। সো টাকা ছাড়া কোন উপায় নাই
বাগেরহাট কোর্টে একটি মামলা/কেস উঠানোর জন্য গিয়েছিলেন। উকিল কেস উঠানোর জন্য ১,৫০০ টাকা নিয়েছেন। এরপর কোর্টে আপনার বক্তব্য দেওয়ার পর সেরেস্তা থেকে একজন আপনাকে একটি কাগজে সই করতে বলেন এবং সই নেওয়ার সময় ৫০০ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে সই হবে না বলা হয়, তাই বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দিয়েছেন