চাঁদপুরের পদ্মা এবং মেঘনা নদীতে সাধারণত কারেন্ট জাল দিয়ে ইলিশ আহরণ করা হয়। একজন জেলেকে প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে নৌ থানায় ঘুষ দিতে হয় কেউ যদি ঘুষ না দেয় তাকে পাকড়াও করে তার নৌকা জাল এবং তাকে মামলা দিয়ে হাজতে প্রেরণ করে আমি একটা হিসাব করে দেখলাম চাঁদপুরের প্রায় ৫০ হাজার জেলে আছে প্রত্যেকে তিন হাজার টাকা করে প্রতি মাসে দিলে বছরে প্রায় 18000000 টাকা ঘুষ দেওয়া হয় আমার মত এমন অসংখ্য এজেন্ট আছে যারা জেলেদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে প্রতি মাসে ২ লক্ষ ৫ লক্ষ টাকা করে মাসের নির্দিষ্ট তারিখে নৌ থানায় এসে জমা দিয়ে যায়। আমার একটাই চাহিদা হয়তো কারেন জাল বন্ধ হোক নয়তো ঘুষ বন্ধ হোক একজন জেলেকে প্রতি মাসে প্রায় ২০ হাজার টাকা প্লাস থানায় ঘুষ দিতে হয় এক থানায় দিলে হয় না সব ফাঁড়িতে
NTRCA এর মাধ্যমে একটি মাদ্রাসায় টিকি। তো এমপিও ফাইল রেডি করে সাবমিট করি, সেটা উপজেলা শিক্ষা অফিসে যায়, তারপর সেটি দ্রুত সাবমিটের জন্য কাউকে ৫০০,১,০০০, এবং ২,০০০ টাকা প্রদান করা হয়েছে। আরো মজার বিষয় যে প্রতিষ্ঠানে হয়েছে সেখানের ভারপ্রাপ্ত কে ৪,০০০ (খুশি হয়ে নাকি) টাকা প্রদান এবং প্রতিষ্ঠানে উন্নয়েনর জন্য ১৫,০০০ টাকা প্রদান করি। আরো বিভিন্ন উপায়ে টাকা হাসিল করতে চাচ্ছে তারা। এবং এ সব ফাইলের কাজ করা,বিভিন্ন কাজে আমাদের সাথে থাকার জন্য আরো একজন কে ৫,০০০(নাস্তা-পানির)প্রদান করি । লক্ষ্যনীয় বিষয় চাকুরীর ১ বছর ও হয় নি এখনো। ধন্যবাদ, আশা করি সব কিছু গোপন থাকবে
আমি আমার জাতীয় পরিচয়পত্রে স্বামীর নাম সংশোধনের জন্য উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করি। আবেদন করার পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আমাকে জানান যে, সংশোধনের জন্য কিছুটা সময় প্রয়োজন হবে। কিন্তু এর প্রায় ৫ মিনিট পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আমাকে জানান যে, যদি জরুরি ভিত্তিতে সংশোধন করাতে চাই, তাহলে ২০,০০০ (বিশ হাজার) টাকা প্রদান করলে মাত্র ২ দিনের মধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্রের সংশোধন সম্পন্ন করে দেওয়া সম্ভব হবে। আমি কোনো ধরনের অতিরিক্ত বা অনৈতিক অর্থ প্রদান করতে রাজি না হওয়ায় আমার আবেদনটি বর্তমানে Pending অবস্থায় রাখা হয়েছে বলে আমি দেখতে পাচ্ছি/জানতে পেরেছি। আমি নিয়ম অনুযায়ী সরকারি নির্ধারিত ফি প্রদান করে আবেদন করেছি। তাই আমার আবেদনটি কোনো অতিরিক্ত অর্থ দাবি ছাড়া প্রচলিত সরকারি নিয়ম ও নির্ধারিত
আমার নামে ০.৫২ অযতাংশ, একটি জমির শেয়ার ছিল, ঢাকা মানিকদি এলাকায়, দলিল করার পরে নাম জারির সময় বলা হয়েছে জমিতে মামলা আছে, নাম জারি করতে হলে ৪০ হাজার টাকা লাগবে যেখানে১১৭০ টাকা সরকারি ফি লাগে। যেহেতু শেয়ার টি আমি বিক্রি করে দেব তাই বাধ্য হয়ে ৪০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে।এবং নামজারির কপি আমার হাতে পেয়েছি। প্রশ্ন হলো জমির দলিলের সময় কেন বলা হয়নি?? ওই সময় বললে আমরা শেয়ার কিনতাম না।। এটাতো ভূমি অফিসের দায়িত্ব ছিল।। আরেকটি ঘুষের অভিযোগ - আমার বাবা বেসরকারি মাদ্রাসায় চাকরি করতেন, অবসর গ্রহণের পর ঢাকা নীলক্ষেত বেনবেজ অফিস এ অবসরকালে টাকা উত্তোলনের চেক গ্রহণের সময় দুইবারে নয় হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে। তাও আবার ৫ থেকে ৬ মাস অপেক্ষা করার পর চেক পেয়েছি। সেটা ২০১০ থেকে ১০১২
সেপ্টেম্বর মাসে ব্যাংকের একটি বন্ধকী দলিল সম্পাদনের জন্য রুপগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যাই । তিনি বিভিন্ন অজুয়াতে করতে চাচ্ছেন না। তার সহকারীর প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে পাঠান। সহকারী উক্ত টাকা ছাড়া দলিলটি সম্পাদন করতে পারবেন না বলে জানান শেষ পর্যন্ত টাকা দিলে দলিলটি।
জমি খারিজের আবেদন করতে গেলে সরকারি ফির (১১০০/) অতিরিক্ত এল আর ফান্ডের ১৬০০/ টাকা ও অফিস খরচ বাবদ ২৩০০/ টাকা নেয়। কিন্তু কাজটা করে দেয় নি। বলেছে এসি ল্যান্ড অনুমোদন করেননি
খারিজ করতে গেলে কাগজ পত্র ওয়ারিশন সনদ আরও বিভিন্ন প্রকার কাগজ নামের প্রত্যায়ন আরও অনেক কিছু পরে লোক মারফতে ১০০০০ এর জায়গায় ৪০০০টাকা দিয়েছি তারপর ও না মন্জুর করছে পরে নামজারি করাতে নতুন আবেদন দিতে বলে। তফশিল অফিসে নামজারি আবেদন পুনরায় করতে গেলে বলে করা লাগবেনা।আবেদনে সাথে এস এ খতিয়ান যুক্ত করার পর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয় সেইদিন কম পক্ষে ৮বার ঘুরছি এক অফিস থেকে আরেক অফিস পরে ৩দিন পর কাজ হয়
ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে রেজাল্ট board challenge করার রেজাল্ট চেঞ্জ না হয়ে উল্টা আরো কমে যায়়। রেজাল্ট মাইগ্রেশনের জন্য ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে গেছিলাম। তারা এক মাস পর মাইগ্রেশন করে রেজাল্ট আগে অবস্থায় ফিরে আসে, মাইগ্রেশনের পর তারা ইনডাইরেক্ট ১০ হাজার টাকা দাবি করছিল । ম্যানেজ করে তাদেরকে ২০০০ টাকা দিয়েছিলাম। তবুও তারা এখনো ইনডাইরেক্টলি অন্যভাবে টাকা চাওয়ার চেষ্টা করছে। জানিনা এরা কিভাবে মানুষকে হ্যারাসমেন্ট করে ?
অনলাইনে আবেদন করেছিলাম। Mandatory সব ফিল্ড fillup করেছিলাম।কিন্তু ওখানকার দায়িত্বরত কর্মকর্তা আমাকে জানালেন আবেদনে পিতা মাতা আর স্ত্রীর NID নাম্বার যুক্ত করতে হবে। অথচ এগুলো mandatory ছিল না। ওদের কথা মত আবেদন করে প্রথম ফর্ম বাতিল করলাম।পরের দিন আবার সবকিছু ওদের নির্দেশনা মত fillup করে নিয়ে গেলাম। সেদিন সব ঠিক ঠাক ছিলো। ওনারা এইবার আমার NID অনলাইন থেকে ডাউনলোড করে আমাকে জানালেন পেশা ভুল আছে। NID তে ছাত্র আর আবেদন ফর্মে private সার্ভিস। NID সংশোধন করতে হবে।বাধ্য হয়ে আমি খুঁজতে লাগলাম টেবিলের নিচে কোনো ফুটা আছে কিনা।একটা ফুটা পেলাম। সে আমাকে জানালো পাসপোর্ট অফিসে এমন কোনো কাজ নাই যা হয় না। সব সম্ভব তবে কিছু খরচ হয়। আমি পরিমান জানতে চাইলাম।সে জানালো ২ হাজার লাগবে। দর কষাকসী তে ১৪০০ দিয়ে করলাম