শাব্বির আহমদ ( মৃত) ৫ নং ওয়ার্ড, পশ্চিম পাড়া , শাব্বির আহমেদের ছেলে হেলাল থেকে 16 শতক আমরা বৈধভাবে একটা জমি ক্রয় করি ৮ জন মিলে। পরবর্তীতে স্থানীয় ( সেন্টমার্টিন)কিছু বিএনপির লোকজন আমাদের কাছ থেকে জোর পূর্বক ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে কিন্তু তাতে অসিকৃতি জানালে তারা আমাদের কে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করতে থাকে এবং এক পর্যায়ে এই জমি টা তাদের বলে দাবি করতে থাকে। পরবর্তীতে স্থানীয় সালিসে বসা হলে পুলিশ আমাদের সব ডোকুমেন্ট দেখে বিচার করে এবং আমাদের পক্ষে রায় আসে কিন্তু চাঁদাবাজরা এই রায় না মেনে কক্সবাজার এসিলেন্ডকে তাদের পক্ষে নেই বিশাল অঙ্কের টাকার লোভ দেখিয়ে এবং আমাদের জমি নামজারি হতে বাধা দেয় অথচ আমাদের জমির সব দলীল এবং কাগজ পত্র ঠিক থাকার পরও। চাঁদাবাজরা হলো : ১.নুরুল আলম ( মগগুল মেম্বার,পূর্ব পাড়া, ২. সৈয়দ আলম ( মগগুল মেম্বার) পূর্ব পাড়া, ৩ . মুহাম্মদ আলম ( মগগুল মেম্বার) পূর্ব পাড়া, ৪. জিয়াউল হক ( আব্দুল হক) , পূর্ব পাড়া, ৫.হায়দার আলী ( আব্দুর রহমান মেম্বার) ডেল পাড়া, ৬.আব্দূর রহমান ( লালু মিয়া) পূর্ব পাড়া
House 4, Road 10,Pisciculture Housing Society, Sekhertek, Adabor,Dhaka 1207
বিস্তারিত বিবরণ
গত ২৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে আমাদের সাবেক গৃহপরিচালিকা রেখা তার কথিত ছোট ভাই , মোঃ মনির এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের বাসায় কোন কারন ছাড়াই হাজিড় হয় রেখা ও তার সঙ্গে আসা ব্যক্তিরা প্রথমে ভবনের নিচে অবস্থান করেন। ভবনের নিরাপত্তারক্ষী তাদের বাধা দিলে তারা নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে উচ্চবাচ্য করেন এবং ইন্টারকমের মাধ্যমে আমাদের ফ্ল্যাটে ফোন করে আমাদের নিচে আসতে বলেন। রেখার সঙ্গে কথা বলে আমরা বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নেওয়ার চেষ্টা করি এবং তাকে উপরে আসতে বলি। পরবর্তীতে রেখা আমাদের অনুরোধ করেন নিচে যেতে, কারণ তার ছোট ভাই আমাদের সঙ্গে পাওনা সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলতে চান। আমরা রেখাকে স্পষ্টভাবে জানাই যে, তার প্রাপ্য পাওনা/বেতন ইতোমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে। কিন্তু রেখা দাবি করেন যে, আরও কিছু টাকা, বিশেষ করে কথিত সুদের টাকা, নিয়ে আলোচনা করতে হবে। তার কথায় আমরা নিচে গেলে সেখানে মোঃ মনিরসহ আরও ৩/৪ জন ব্যক্তি আমাদের ঘিরে উচ্চবাচ্য করতে থাকেন এবং অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ও চাপ সৃষ্টিকারী আচরণ করেন। তারা দাবি করতে থাকেন যে, রেখার ২০,০০০/- টাকা বেতনসহ মোট প্রায় ২,০০,০০০/- টাকা আমরা এখনও পরিশোধ করিনি। একপর্যায়ে তারা আমাদের কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে একটি কাগজে/স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং বলেন যে, ২ দিনের মধ্যে অর্থাৎ ৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখের মধ্যে টাকা পরিশোধ করতে হবে। ঘটনার আকস্মিকতা ও তাদের সম্মিলিত চাপের কারণে আমরা অত্যন্ত ভীত ও হতবিহ্বল হয়ে পড়ি। আমার স্ত্রী তাদের কাছে জানতে চান, উক্ত দাবির পক্ষে কোনো হিসাব, প্রমাণ, রসিদ, ডকুমেন্ট বা লিখিত কাগজপত্র আছে কি না। তখন মোঃ মনির বলেন যে, তারা সর্বোচ্চ ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সময় দিচ্ছেন এবং এর মধ্যে টাকা পরিশোধ না করলে আমাদেরকে “গ্যাঞ্জাম”-এর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে—এ ধরনের হুমকিসূচক বক্তব্য প্রদান করেন। আমার স্ত্রী থানায় বসে বিষয়টি মীমাংসা করার কথা বললে মোঃ মনির উত্তেজিত হয়ে বলেন, “থানা-টানা বাদ দেন, যা বলি শুনেন”—এবং আইনগত প্রক্রিয়ার পরিবর্তে তার কথামতো বিষয়টি মেনে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। তিনি আরও এমনভাবে কথা বলেন, যাতে আমাদের মনে হয় তিনি প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও আমাদের জন্য সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে
উত্তরা সেক্টর ১০ সংলগ্ন ১২ নং রোডের সাথে অবস্থিত তুরাগ সুপার মার্কেট কাচাবাজার · তুরাগ · ঢাকা · ঢাকা “গত ২৫-৩০ দিন আগে থেকে রাজনৈতিক রেশারেশির কারনে গুঞ্জন চলছিলো যে এই আড়ৎ/কাচাবাজার ভেঙ্গে দেয়া হবে কারন, এ আড়ৎ এর জমির মালিক আওয়ামীলীগ রাজনিতির সাথে জড়িত ছিলো, এ নিয়ে ব্যাবসায়ীদের মধ্যে চরম ভয় ঢুকিয়ে দেয়া হয়। তার মধ্যে অফিস কৃতপক্ষের মাধ্যমে জানতে পারি ৫০ লক্ষ টাকা দিলে নাকি আড়ৎ টিকে থাকবে ও কোন রাজনৈতিক ঝুটঝামেলা থেকে তারা শেল্টার দিবে। তার পরে প্রায় ২৫০-৩০০ আড়ৎ মালিকের থেকে প্রতি ভিটে ৫০০০ করে চাদা তুলে দেয়া হয়েছে। আনুমানিক ৪০০ ভিট থেকে ২০ লাখ ও বাজার কৃতপক্ষ থেকে ৩০ লাখ এই নিয়ে মোট ৫০ লাখ টাকা নাকি তাদেরকে দেয়া হবে বা হয়েছে। আমি এই বাজারে ছোট ব্যাবসায়ী ও ভুক্তভোগী আমিও বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি। ওইদিকে তাদের টাকা না দিলে নাকি বাজার থাকবে না এদিকে বাজার কৃতপক্ষের দাবীকৃত টাকা না দিলে ভিট থাকবে না।”লেবার সরদার লস্কর থেকে 10 লক্ষ টাকা নিয়ে ও থাকে আড়ত বের করে দিয়েছে,। বিএনপি সাবেক সেক্রেটারি মামুন পারভেজ তন্ময়, এবং তাকে মাইর দূর করা হয়েছে
আমি উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে এ যাবো তো আমার সার্টিফিকেট এ আব্বু আম্মুর নাম এ কিছু টা ভুল ছিলো এটা ঠিক করার জন্য আমার কাছ থেকে ১৮০০০ হাজার টাকা নিছে আমি তারা ঠিক করে দিবে না বলে প্রথম এ আমাকে বার বার ঘুরাতে থাকে আমি বলি তাহলে আমি ১২ বছর পড়ালেখা করে আমার কি লাভ হলো পরে খরচা পাতি হিসেবে এই টাকা নেয় আমার কিছু করার ছিলোনা একটাই বাংলাদেশ বিদেশ গেলে আর ফিরার ইচ্ছা নেই শুধু আম্মু আব্বুর জন্য এই দেশ এ কোনো আইন নেই
২০২৫ সালে আমার ভাস্তির জন্ম নিবন্ধন দরকার হয়, কারণ যখন এটা ইস্যু করা হয়েছিল তখন মায়ের নামে ভুল ছিল। মেয়ের স্কুল থেকে যখন বলা হলো তখন আমরা সংশোধনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে যাই, নানান ধরনের কথা এটা ওটা বলে লাস্ট মুহূর্তে ১০০০ টাকায় করে দিবে বলে স্বীকৃতি দেয়। পরে টাকাটা পরিশোধ করে কাজটি করে নেই কারণ মেয়ের বৃত্তি পরীক্ষায় ওই সংশোধিত নিবন্ধনটা দরকার ছিল
পাসপোর্ট অফিসে নিজে সমস্ত ডকুমেন্ট নিয়ে জমা দিতে চাইলে ডুমেন্ট অসম্পূর্ণ এইটা নাই ঐটা নাই এমন কথা বলে আমার ফর্ম জমা নেয়নি,,, পরে একই কাগজ দালালকে দিলে তারপর জমা নিছে । দ্বিতীয় হলো পুলিশ লাইনে দাড়ানো অবস্থায় পিছনের লোকদের কে ২০০ টাকার বিনিময়ে লাইন থেকে সরাসরি সাইন এবং স্বাক্ষর করার জন্য রুমে নিয়ে যায়,,,, পাসপোর্ট অফিস দুর্নীতির এক আতুর ঘর
দুইজন দরবেশ মোটরসাইকেল দিয়ে আসলো এসে বলল আপনার বাবা কোথায় বললাম কি হইছে উনার বিরুদ্ধে অরেঞ্জ আছে উনারা হাইকোর্ট থেকে আসছে ওদের অনুমতি নিয়া নোটিশ নিয়ে আইছে কিন্তু নোটিশ দেয় থানায় দিয়ে দিবে এরকম লাস্টে বলতেছে কিছু খরচপাতি দেন সরস্বতী দেই নাই পরবর্তীতে বলতে থানায় দিয়ে দিব ধরে নিয়ে যাবে বললাম দিয়া দেন সমস্যা নাই এবং প্রথম অবস্থায় বাড়ি কয়টা করছি এইসব হয়রানি এবং চাঁদাবাজি থেকে মানুষ কবে মুক্তি পাবে আফসোস সোনার বাংলাদেশের জন্য
ভ্যাট কর্মকর্তা আমার প্রতিষ্ঠানে এসে আমার কম্পিউটার ও খাতা পত্র জব্দ করে এবং বলে আপনার ব্যবসার শুরু থেকে অনেক টাকা কম দিয়েছেন তাই আপনাকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা দিতে হবে যদি তিন লাখ টাকা আপনি আমাকে নগদ হিসাবে ( ঘুস)দেন তাহলে আর ১০ লাখ টাকা দিতে হবে না
A few police officers of Dhamrai Thana caught my brother with 5 Pcs yaba tablet in night that he purchased for eating. Then they asked for 1 Lac taka from me to release him otherwise they said they will file a case. Then when I did not want to give them that money they filed a false case of writing they caught my brother with 15 Pcs yaba tablet and mentioned that he does yaba business.