আমরা ২০২০সালে প্রাথমিকে নিয়োগপ্রাপ্ত ১৬জন শিক্ষক চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য ফাইল জমা দিলে শিক্ষা অফিসার জনপ্রতি মিনিমাম ৫০০টাকা করে দাবী করে। টাকা দেবো না বলে প্রত্যাখ্যান করলে তিনি আমাকে হয়রানির উদ্দেশ্য একাধিকবার শোকজন করে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে। অদ্যবধী এখনো আমাদের স্থায়ীকরণ হয়নি। ২০২৪সালে ফাইল সাবমিট করি, আর আজকে ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬সাল
সেবাটি মূলত ছিল আমাদের প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স পরীক্ষা ২০২৩ এর আজকে ভাইবা পরীক্ষা। প্রত্যেকের কাছে ৩০০ টাকা করে তোলা হয়েছে। মোট শিক্ষার্থী আনুমানিক ১০০০ জন। সেই হিসেবে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা চাদা নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রবিঞ্জান বিভাগ।বগুড়া আজিজুল হক কলেজ।বগুড়া
আমি খুলনার দৌলতপুরের কম্পিউটারের দোকানে সবগুলা নিয়ে যাই ওখানের দোকানদার আমাকে বললেন টাকা লাগবে ৫০ হাজার টাকা লাগবে ছিল বিষয়টা আমাকে তিন দিনের মধ্যে আমার সমস্যা সমাধান করে দিবে তোমায় আমি ৪৫ হাজার টাকা নগদ এবং বিকাশের মাধ্যমে দেই মাধ্যমটা উনি বললেন ঢাকার কোন কর্মকর্তার নাম্বার এটা। এবং আমি তিন দিনের মধ্যেই আমার পাসপোর্ট হাতে পেয়েছি
বিনীত নিবেদন এই যে, আমার পিতা [পিতার নাম] একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর গেজেট, মুক্তিবার্তা ও লাল বইসহ সকল বৈধ সনদ ও প্রমাণাদি যথাযথভাবে থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে তিনি কোনো সরকারি মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পাচ্ছেন না। ভাতাটি দ্রুত চালুর আশ্বাসে এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আমি ইতোমধ্যে সর্বমোট ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা প্রদান করেছি। কিন্তু এত টাকা দেওয়ার পরেও অদ্যাবধি আমার পিতার মুক্তিযোদ্ধা ভাতা চালু করা হয়নি। বিষয়টি আমাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক ও চরম হতাশার।
কলেজ থেকে নম্বরপত্র উত্তোলনের সময় আমার কাছে সরাসরি ৩০০ টাকা ক্যাশ চায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। টাকা গ্রহণ বাবদ রশিদ চাইলে তিনি তা অপারগতা প্রকাশ করে। কিন্তু পরিশেষে টাকা ঘুষ/সন্মানি হিসেবে প্রদান করতেই হলো যেন তিনি আমার কাছে পাওনাদার।