৭ বৎসর আগে জায়গাটি কিনে ছিলাম, মসজিদের কিছু টাকা দান করলাম, হুজুর বললো কেউ কিছু চাইলে বলবে মসজিদে দান করেছি. ৩ দিন হইলো জমির সাইড দিয়ে বাউন্ডারি দিচ্ছিলাম, কিন্তু আজ দেখলাম কে বা কারা বাউন্ডারি ভেঙে দিয়েছে. খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম বৎসর সরকারের লোকজনকে টাকা না দিলে বাউন্ডারি দেয়া সম্ভব না. তাই ১০০০০ হাজার টাকা cantact করলাম. ৪ দিনের মধ্যে টাকা দিতে হবে 😒. আমাদের মতো প্রবাসীদের পাশে কেউ নেই
আলি বাহার চা বাগান, এরিয়া দুসকি, এই বাগানের জায়গায় আমরা থাকি বাগানের মালিককে প্রত্যেক পরিবার প্রতি মাসে 500 টাকা দেই। এমতাবস্থায় তারা আমাদের কাছে চাঁদাদাবি করে চাঁদা না দিলে বিভিন্ন রকম হুমকি দেয় এমনকি হত্যার ও হুমকি দেয়। সময় বলতে বিভিন্ন সময় তারা নির্যাতন করে রাস্তাঘাটে হাটা চলা ও নিরাপদ নয়, ঘরের টিন ও বিভিন্ন জিনিস পুনরায় মেরামত করতে গেলে ও তারা চাদা চায় কিন্তু আমরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদকে টেক্স দেই এদের নাম: 1. কয়েছ আহমদ (2) রতন চক্রবর্তী (3) লিটন (4) মুন্না বাগানের সর্দারের ছেলে আর অন্যান্য সবাই মিলে মব সৃষ্টি করে এবং চাঁদা দাবি করে । আমরা সংখ্যা লঘু ও অসহায় মানুষ।( উল্লেখ্য বাগানের মালিকে নাম রাজন সাহেব) অতএব, আমরা কর্ত,পক্ষের নিকট আকূল আবেদন, আমাদের উপরোক্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার যেন সদয় মর্জি হয়
House 4, Road 10,Pisciculture Housing Society, Sekhertek, Adabor,Dhaka 1207
বিস্তারিত বিবরণ
গত ২৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে আমাদের সাবেক গৃহপরিচালিকা রেখা তার কথিত ছোট ভাই , মোঃ মনির এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের বাসায় কোন কারন ছাড়াই হাজিড় হয় রেখা ও তার সঙ্গে আসা ব্যক্তিরা প্রথমে ভবনের নিচে অবস্থান করেন। ভবনের নিরাপত্তারক্ষী তাদের বাধা দিলে তারা নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে উচ্চবাচ্য করেন এবং ইন্টারকমের মাধ্যমে আমাদের ফ্ল্যাটে ফোন করে আমাদের নিচে আসতে বলেন। রেখার সঙ্গে কথা বলে আমরা বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নেওয়ার চেষ্টা করি এবং তাকে উপরে আসতে বলি। পরবর্তীতে রেখা আমাদের অনুরোধ করেন নিচে যেতে, কারণ তার ছোট ভাই আমাদের সঙ্গে পাওনা সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলতে চান। আমরা রেখাকে স্পষ্টভাবে জানাই যে, তার প্রাপ্য পাওনা/বেতন ইতোমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে। কিন্তু রেখা দাবি করেন যে, আরও কিছু টাকা, বিশেষ করে কথিত সুদের টাকা, নিয়ে আলোচনা করতে হবে। তার কথায় আমরা নিচে গেলে সেখানে মোঃ মনিরসহ আরও ৩/৪ জন ব্যক্তি আমাদের ঘিরে উচ্চবাচ্য করতে থাকেন এবং অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ও চাপ সৃষ্টিকারী আচরণ করেন। তারা দাবি করতে থাকেন যে, রেখার ২০,০০০/- টাকা বেতনসহ মোট প্রায় ২,০০,০০০/- টাকা আমরা এখনও পরিশোধ করিনি। একপর্যায়ে তারা আমাদের কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে একটি কাগজে/স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং বলেন যে, ২ দিনের মধ্যে অর্থাৎ ৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখের মধ্যে টাকা পরিশোধ করতে হবে। ঘটনার আকস্মিকতা ও তাদের সম্মিলিত চাপের কারণে আমরা অত্যন্ত ভীত ও হতবিহ্বল হয়ে পড়ি। আমার স্ত্রী তাদের কাছে জানতে চান, উক্ত দাবির পক্ষে কোনো হিসাব, প্রমাণ, রসিদ, ডকুমেন্ট বা লিখিত কাগজপত্র আছে কি না। তখন মোঃ মনির বলেন যে, তারা সর্বোচ্চ ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সময় দিচ্ছেন এবং এর মধ্যে টাকা পরিশোধ না করলে আমাদেরকে “গ্যাঞ্জাম”-এর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে—এ ধরনের হুমকিসূচক বক্তব্য প্রদান করেন। আমার স্ত্রী থানায় বসে বিষয়টি মীমাংসা করার কথা বললে মোঃ মনির উত্তেজিত হয়ে বলেন, “থানা-টানা বাদ দেন, যা বলি শুনেন”—এবং আইনগত প্রক্রিয়ার পরিবর্তে তার কথামতো বিষয়টি মেনে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। তিনি আরও এমনভাবে কথা বলেন, যাতে আমাদের মনে হয় তিনি প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও আমাদের জন্য সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে
সেবাটি মূলত ছিল আমাদের প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স পরীক্ষা ২০২৩ এর আজকে ভাইবা পরীক্ষা। প্রত্যেকের কাছে ৩০০ টাকা করে তোলা হয়েছে। মোট শিক্ষার্থী আনুমানিক ১০০০ জন। সেই হিসেবে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা চাদা নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রবিঞ্জান বিভাগ।বগুড়া আজিজুল হক কলেজ।বগুড়া