বিষয়: জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রমে সরকার নির্ধারিত ফির চেয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ।বিবরণ: ফুলছড়ি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে জন্ম নিবন্ধন করতে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ফি মাত্র ২৫ থেকে ৫০ টাকা হলেও [১] [২], দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সাধারণ মানুষের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে যার কাছ থেকে যত পারছে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ক্ষেত্রবিশেষে ৩০০ টাকা, ৫০০ টাকা, এমনকি ১,০০০ টাকা পর্যন্ত অবৈধভাবে দাবি করা হচ্ছে এবং আদায় করা হচ্ছে। এই অনিয়ম বন্ধে এবং সাধারণ মানুষের হয়রানি রোধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি। আমিও টাকা দিছি জন্ম নিবন্ধন করার জন্য 250 টাকা
রাস্তার পাশে মাটি আটকানোর জন্য বর্তমানে অপরিকল্পিতভাবে শুধু ইট দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। মাটির নিচে প্রয়োজনীয় গভীর ভিত্তি/ফাউন্ডেশন ও শক্তিশালী রডের কাঠামো না করে উপরিভাগে ইট বসানো হচ্ছে। এভাবে কাজ করলে মাটি সরে গিয়ে রাস্তার অংশ ধসে পড়া বা ফাটল সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সঠিক নিয়ম অনুযায়ী আগে মাটির নিচে শক্ত ভিত্তি তৈরি করে প্রয়োজনীয় রড ও কংক্রিটের কাঠামো নির্মাণ করার কথা। বিষয়টি তদন্ত করে কাজের অনিয়ম ও সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে কি না যাচাই করার অনুরোধ করছি
খারিজ করতে গেলে কাগজ পত্র ওয়ারিশন সনদ আরও বিভিন্ন প্রকার কাগজ নামের প্রত্যায়ন আরও অনেক কিছু পরে লোক মারফতে ১০০০০ এর জায়গায় ৪০০০টাকা দিয়েছি তারপর ও না মন্জুর করছে পরে নামজারি করাতে নতুন আবেদন দিতে বলে। তফশিল অফিসে নামজারি আবেদন পুনরায় করতে গেলে বলে করা লাগবেনা।আবেদনে সাথে এস এ খতিয়ান যুক্ত করার পর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয় সেইদিন কম পক্ষে ৮বার ঘুরছি এক অফিস থেকে আরেক অফিস পরে ৩দিন পর কাজ হয়
অনলাইনে আবেদন করেছিলাম। Mandatory সব ফিল্ড fillup করেছিলাম।কিন্তু ওখানকার দায়িত্বরত কর্মকর্তা আমাকে জানালেন আবেদনে পিতা মাতা আর স্ত্রীর NID নাম্বার যুক্ত করতে হবে। অথচ এগুলো mandatory ছিল না। ওদের কথা মত আবেদন করে প্রথম ফর্ম বাতিল করলাম।পরের দিন আবার সবকিছু ওদের নির্দেশনা মত fillup করে নিয়ে গেলাম। সেদিন সব ঠিক ঠাক ছিলো। ওনারা এইবার আমার NID অনলাইন থেকে ডাউনলোড করে আমাকে জানালেন পেশা ভুল আছে। NID তে ছাত্র আর আবেদন ফর্মে private সার্ভিস। NID সংশোধন করতে হবে।বাধ্য হয়ে আমি খুঁজতে লাগলাম টেবিলের নিচে কোনো ফুটা আছে কিনা।একটা ফুটা পেলাম। সে আমাকে জানালো পাসপোর্ট অফিসে এমন কোনো কাজ নাই যা হয় না। সব সম্ভব তবে কিছু খরচ হয়। আমি পরিমান জানতে চাইলাম।সে জানালো ২ হাজার লাগবে। দর কষাকসী তে ১৪০০ দিয়ে করলাম
TCB মাল মন্ডলের হাট শোভাগঞ্জ এর ইউনিয়ন ভবনের আন্ডারে চালিত ছাপড়হাটি এক কথায়। এরা ২ নাম্বার জিনিস দিয়ে পাবলিক রে বোকা সাজায়, কেউ বললে বলে নিলে নে না নিলে নাই
গাইবান্ধা brta অফিসে কিছু লোক আছে বাইকের ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলে তারা নানা অযুহাত খুজে বের করে টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে তারা খারাপ ব্যবহার করে। টাকা দিলে তারা পাশ করে দেয় লাইসেন্স